দেড় মাসের মধ্যেই আবার ভূমিকম্প চিন নিয়ন্ত্রিত তিব্বতে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ১০টা বেজে ৩৩ মিনিটে কেঁপে ওঠে তিব্বত এবং সংলগ্ন চিনা ভূখণ্ড। বেজিঙের আর্থকোয়েক নেটওয়ার্ক সেন্টার জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭। এর প্রায় ৪০ মিনিট পরে আরও একটি কম্পন অনুভূত হয়।
শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে চিনের সংবাদমাধ্যম। আহতের সংখ্যা ৫৬। তাঁদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জোড়া ভূমিকম্পের জেরে ৩০০-র বেশি ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে বহু গবাদি পশুর। পাহাড়ি এলাকায় ভূকম্পিত-ধসের কারণে বহু রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর তিব্বতের বাকেন কাউন্টির মারু টাউনশিপ এলাকা।
জাতীয় ভূকম্পন সর্বেক্ষণ (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি বা এনসিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, অরুণাচল প্রদেশের পান্ডিন এলাকা থেকে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল প্রথম কম্পনের উৎসস্থল। তিব্বতে নাগকু থেকে ১৯০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বের ওই দুর্গম পার্বত্য এলাকাটির দূরত্ব রাজধানী লাসা থেকে ৩৯০ কিলোমিটার। প্রথম ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর, রাত ৮টা ৪২ মিনিট (ভারতীয় সময়) নাগাদ রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ওই অঞ্চল। অরুণাচল প্রদেশের বাসার থেকে প্রায় ৩২৩ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল দ্বিতীয় কম্পনের উৎসস্থল। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১৫ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিন সরকার লেভেল-৩ সতর্কতা জারি করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঠানো হয়েছে ত্রাণসামগ্রী ও বিশেষ উদ্ধারকারী দল। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে ভারী তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে দ্রুত উদ্ধারের কাজ শেষ করা না গেলে মৃতের তালিকায় দীর্ঘতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৬ অগস্ট তিব্বত-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বানে প্রায় দেড় হাজার মানুষের মৃত্য হয়। এখনও নিখোঁজ প্রায় সমসংখ্যক মানুষ। এর পরে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় সাড়ে ৫ রিখটারের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল চিন শাসিত ওই ভূখণ্ড। এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চিনের গানসু প্রদেশে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে চিনের সংবাদমাধ্যম। আহতের সংখ্যা ৫৬। তাঁদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জোড়া ভূমিকম্পের জেরে ৩০০-র বেশি ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে বহু গবাদি পশুর। পাহাড়ি এলাকায় ভূকম্পিত-ধসের কারণে বহু রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর তিব্বতের বাকেন কাউন্টির মারু টাউনশিপ এলাকা।
জাতীয় ভূকম্পন সর্বেক্ষণ (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি বা এনসিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, অরুণাচল প্রদেশের পান্ডিন এলাকা থেকে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল প্রথম কম্পনের উৎসস্থল। তিব্বতে নাগকু থেকে ১৯০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বের ওই দুর্গম পার্বত্য এলাকাটির দূরত্ব রাজধানী লাসা থেকে ৩৯০ কিলোমিটার। প্রথম ভূমিকম্পের কিছুক্ষণ পর, রাত ৮টা ৪২ মিনিট (ভারতীয় সময়) নাগাদ রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ওই অঞ্চল। অরুণাচল প্রদেশের বাসার থেকে প্রায় ৩২৩ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল দ্বিতীয় কম্পনের উৎসস্থল। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১৫ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিন সরকার লেভেল-৩ সতর্কতা জারি করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঠানো হয়েছে ত্রাণসামগ্রী ও বিশেষ উদ্ধারকারী দল। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে ভারী তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে দ্রুত উদ্ধারের কাজ শেষ করা না গেলে মৃতের তালিকায় দীর্ঘতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৬ অগস্ট তিব্বত-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বানে প্রায় দেড় হাজার মানুষের মৃত্য হয়। এখনও নিখোঁজ প্রায় সমসংখ্যক মানুষ। এর পরে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় সাড়ে ৫ রিখটারের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল চিন শাসিত ওই ভূখণ্ড। এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চিনের গানসু প্রদেশে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
আন্তজার্তিক ডেস্ক